চোখের কালচেভাব, ত্বকের ভাঁজপড়া ও বলিরেখা কমানোর উপায়

চোখের কালচেভাব, ত্বকের ভাঁজপড়া ও বলিরেখা কমানোর উপায়

 

নিয়মিত যত্ন নিলে চোখের কালচেভাব, ত্বক ও চামড়ার বলিরেখা, ভাঁজ পড়ার সম্ভাবনা কমে যাবে-
বয়স, অস্বাস্থ্যকর জীবনযাপন, মানসিক ও কাজের চাপ, এমনকি অধিকাংশ সময় কম্পিউটার ও মোবাইলের স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে থাকার কারণে চোখের চারপাশের কালচেভাবের সৃষ্টি হয় এবং বলিরেখা পড়ে।
 চোখের চারপাশের ত্বক ভালো রাখার উপায় সম্পর্কে নিম্নোক্ত দেওয়া হলো-
চোখ কচলানো যাবে নাঃ চোখের চারপাশের ত্বক ঘষলে সঙ্গে সঙ্গেই তার নেতিবাচক প্রভাব পড়ে। মানসিক ও কাজের চাপ বা কম্পিউটার ও মোবাইলের স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে থাকলে চোখের অস্বস্তি সৃষ্টি হয়। তখন চোখের বিশ্রামের জন্য মনিটর থেকে চোখ সরিয়ে বা কিছুক্ষণ চোখ বন্ধ করে রাখতে হবে। ভুল করেও চোখ ঘষা যাবে না। চোখ ঠাণ্ডা করতে ও আর্দ্র রাখতে ঠান্ডা পানি বা গোলাপজলের ঝাপটা দিতে হবে। এতে চোখের খচখচেভাবটা কমে আসবে।
আই ক্রিম ব্যবহার করতে হবেঃ চোখের নিচের অংশের জন্য আই ক্রিম খুব উপকারী। কারণ এখানকার ত্বক শরীরের অন্যান্য জায়গার চাইতে আলাদা। এই স্থান আর্দ্রতার অভাবে নির্জীব হয়ে পড়ে। তাই শুষ্ক অনুভব করলে চোখের নিচে আই ক্রিম বা জেল ব্যবহার করতে উপকার পাওয়া যাবে। নিয়মিত চোখের নিচের ত্বক আর্দ্র রাখলে চোখের তারুণ্য ফুটে উঠবে।
জেড রোলার ব্যবহারঃ রূপচর্চার এই সামগ্রী মুখের ত্বক মালিশ করার জন্য খুব উপকারী। চোখের চারপাশে কোনো প্রসাধনী ব্যবহার করলে তা আলতোভাবে প্রয়োগ করতে হয়। জোরে আঘাত লাগলে এই স্থান আরও নির্জীব হয়ে পড়ে ও কালচে দেখায়। এক্ষেত্রে, জেড রোলার ব্যবহার নিরাপদ হবে। চাইলে সাধারণ জলপাইয়ের তেল ও জেড রোলার ব্যবহার করে চোখের নিচের ত্বকের পরিচর্যা করা যেতে পারে।
রেটিনলঃ ত্বকের ক্ষয় পূরণ ও ক্ষয় রোধ করতে রেটিনল কার্যকার। এই উপাদান বয়সের ছাপ কমায় ও অন্যান্য উপাদানের চেয়ে দ্রুত কাজ করে। রেটনল ত্বকের ধরন ভেদে কাজ করতে এক থেকে দুইমাস সময় নেয়। রাতে চোখের চারপাশ ও পুরো মুখের ত্বকেই রেটিনল ক্রিম বা জেল ব্যবহার করলে ভালো ফলাফল পাওয়া যাবে।
গ্রিন টি ব্যাগঃ চোখের চারপাশের ত্বক উজ্জ্বল করতে টি বাগ উপকারী। টি ব্যাগ ফুটিয়ে ঠাণ্ডা করে চোখ ও চোখের চারপাশের ত্বকে তা দিয়ে ১০ মিনিট রাখতে হবে। এর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট চোখের চারপাশের কালো দাগ কমায় ও ত্বকের সতেজভাব আনে।